বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৭ পূর্বাহ্ন

News Headline :
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা পাবনায় নবাগত জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের দৃঢ় অঙ্গীকার: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, গড়বেন মডেল শহর র‌্যাবের অভিযানে বিদেশী রিভলভার ও গুলিসহ গ্রেফতার ১ যুক্তরাষ্ট্র স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব পরিত্যাগ করলেই দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা সম্ভব: পেজেশকিয়ান বদলগাছীতে খাল পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল তরুণ প্রজন্মকে বিসিএস নামক ‘অসুখ’ থেকে বের হতে হবে: ডা. জাহেদ রামেক হাসপাতালে ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেট অপসারণের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন ভাঙ্গুড়ায় মাদকদ্রব্য ও অর্থ সহ ২ জন ‘ব্যবসায়ী কে আটক  ভাঙ্গুড়ায় বাঁশবাড়িয়া সাবমারসিবল সড়কের বেহাল দশা, ব্রিজ আছে কিন্তু রাস্তা নেই- জনদুর্ভোগ চরমে পাবনা সদর হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৯জন রোগী ভর্তি রয়েছে

রংপুরে প্রভাবশালীদের বাধায় কৃষকের একশ একর জমির বোরো চাষাবাদ ব্যাহত কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা

Reading Time: 2 minutes

হারুন উর রশিদ সোহেল, রংপুর ব্যুরো:
প্রভাবশালীর বাধায় একশ একর জমিতে বোরো চাষ করতে পারছেন না কৃষক। এ কারণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা। জমিতে সেচ দেওয়ার চেষ্টা করায় প্রভাবশালীরা গভীর নলকূপের কর্মচারীদের মারধর করেছে। রংপুরের বদরগঞ্জে ঘটেছে এ ঘটনা। গভীর নলকূপ পরিচালনা কমিটি বদরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। কিন্তু এ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বদরগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের ফকিরপাড়া গ্রামে ২০১৪ সালে বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির তত্বাবধানে সরকারি অর্থায়নে একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়। এরপর থেকে চাষিরা স্বল্পমূল্যে জমিতে সেচ সুবিধা পাচ্ছেন। ভালই চলছিল কৃষকদের পানি সেচ ব্যবস্থা। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পরাজিত মেম্বার প্রার্থী রেজাউল ইসলামের ভাই তাজগুল মিয়ার সাথে গভীর নলকূপ পরিচালনা কমিটির সভাপতি খন্দকার মঞ্জুরুল হাসানের বিরোধ চলছে। এর জের ধরে তাজগুল মিয়া ও তার লোকজন গভীর নলকূপের নালা ও পাইপ ভেঙে ফেলে। এতে ব্যাহত হয় জমিতে সেচ কাজ। এর প্রতিবাদ করেন কৃষক ও গভীর নলকূপ পরিচালনা কমিটির লোকজন। কিন্তু কোন কিছুকে তোয়াক্তা করছেনা প্রতিপক্ষের লোকজন। তারা গভীর নলকূপ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মঞ্জুরুল হাসানকে নানা ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে। হুমকি উপেক্ষা করে গভীর নলকূপ চালু করে পানি সেচের ব্যবস্থা কৃষকরা। কিন্তু প্রতিপক্ষ প্রভাবশালী তাজগুল মিয়া ও আব্দুল হালিম মাস্টারের নির্দেশে লাঠিয়াল বাহিনী কৃষক ও গভীর নলকূপের কর্মচারীদের লাঠিপেটা করে। এরপর থেকে বোরো চারা রোপন বন্ধ রয়েছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে প্রায় একশ একর জমির বোরো ধান চাষাবাদ। গভীর নলকূপ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মঞ্জুরুল হাসান বলেন, পূর্ব শত্রæতার জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন গভীর নলকূপের পাইপ ও নালা ভাংচুর করেন। এর প্রতিবাদ করায় তারা আমার লোকজন ও কৃষকদের বেধরক মারপিট করে। থানায় অভিযোগ দিলেও কোন প্রতিকার পাইনি। এরফলে প্রায় একশ একর জমিতে চাষাবাদ করতে পারছেনা কৃষক। অভিযুক্ত তাজগুল মিয়া বলেন, দির্ঘদিন ধরে তাদের সাথে বিরোধ চলছে। তবে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ মিথ্যা। বদরগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। পূর্ব শত্রæতার জেরে ঘটনাগুলো ঘটেছে। ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা চেয়ারম্যান ও কৃষি কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি সমাধা করার চেষ্টা করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com